ঢাকা, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৫ কার্তিক ১৪২৬

Live

স্ত্রী-সন্তান পাস, পারেননি বলরাম

১৬:১৫, ৩ জুন ২০১৭ শনিবার

এক বাড়িতে থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেন পরিবারের তিন সদস্য। মা ও ছেলে উচ্চমাধ্যমিক পাস করায় সবাই খুশি। অন্যদিকে বাবা পরীক্ষায় ফেল করায় পরিবারে নেমেছে বিষণ্নতা। পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার পতিকাবাড়ি গ্রামের মণ্ডল পরিবারে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, পরীক্ষার খাতার হিসেব অনুযায়ী অন্যদের মতোই তিন পরীক্ষার্থী ছিলেন বলরাম মণ্ডল, কল্যাণী মণ্ডল ও বিপ্লব মণ্ডল। কিন্তু বাকিদের কাছে এ ছিল শিক্ষার এক আশ্চর্য লড়াই। কারণ ছেলে বিপ্লবের সঙ্গেই পড়াশোনা শুরু করছিলেন বাবা বলরাম ও মা কল্যাণী। স্কুলের পোশাক পরে একসঙ্গেই স্থানীয় হাজরাপুর হাইস্কুলে যেতেন স্বামী-স্ত্রী ও ছেলে। তারা ক্লাসে বসে পড়া শুনতেন, নোট নিতেন। তাদের ঐচ্ছিক বিষয়ও ছিল এক। সারাদিনের কাজ সেরে দুপুরের দিকে পড়তে বসতেন কল্যাণী। আর বলরাম পড়তেন চাষের কাজ সেরে এসে রাতে। প্রাইভেট টিউটরের কাছে যে পড়া বিপ্লব বুঝত। তা বাড়ি এসে বাবা-মাকেও বুঝিয়ে দিত। পরীক্ষার সময়ও একসঙ্গেই উত্তরপত্র লিখেছিলেন তিনজন। তবে ফল একটু আলাদা হয়ে গেছে এবার। ৩২ বছরের কল্যাণী ৪৫.৬ শতাংশ নম্বর। আর ছেলে বিপ্লবের প্রাপ্তি ৫০.৬ শতাংশ নম্বর। মা ও ছেলে দুইজনই ভালোভাবেই উত্তীর্ণ হয়েছে। নম্বর পেয়ে খুশি দুইজনেই। কিন্তু পিছিয়ে পড়েছেন বলরাম। উচ্চমাধ্যমিকে পাস করার জন্য পর্যাপ্ত নম্বর পাননি তিনি। ছেলে ও স্ত্রীর জন্য খুশি হলেও নিজের নম্বরে অখুশি বলরাম। পরীক্ষা বেশ ভাল হয়েছিল তার। ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই