ঢাকা, শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

Live

মেগা প্রকল্পে থাকছে না সমন্বিত বরাদ্দ

১৪:২৪, ২ জুন ২০১৭ শুক্রবার

সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া মেগা প্রকল্পগুলোর জন্য আগামী অর্থবছরের বাজেটে কোনো সমন্বিত বরাদ্দ থাকছে না বলে জানা গেছে। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে ফাস্ট ট্র্যাক বা মেগা প্রকল্পের জন্য আলাদা বরাদ্দ দেওয়া হলেও আগামী ২০১৭-১৮অর্থবছরের বাজেটে তা থাকবে না। তবে আগামি বাজেটে এসব প্রকল্পের প্রতিটির জন্য আলাদা করে বাজেট রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া এই প্রকল্পগুলো হচ্ছে পদ্মা সেতু প্রকল্প, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুতকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, মাতারবাড়ি বিদ্যুতকেন্দ্র, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ এবং দোহাজারি-রামু হয়ে কক্সবাজার আর রামু মিয়ানমারের নিকট ঘুমধুম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেল লাইন প্রকল্প। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এসব প্রকল্পের জন্য সমন্বিত বাজেট ছিল ২২ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকা। তবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ব্যয় হবেপৌনে তিন লাখ কোটি টাকা। ২০১০ সালে অর্থায়নে বিশ্ব ব্যাংক সম্মত থাকাকালীন পদ্মা সেতু প্রকল্পের বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার। পরে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন না করায় ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নেই সেতুর কাজ শুরু করে। ওই সময় সেতু বাস্তবায়ন ব্যয় দাঁড়ায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার। ২৭০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ের মোট্রেরেল প্রকল্পের আর্থায়ন ২০১৪ সালে একবার বাধাগ্রস্ত হয়। পরে ২০১৫ সালের মার্চে জাপানেরটোকিও কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে এটি বাস্তবায়নের চুক্তি হয়। এতে অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার ও জাইকা। এক হাজার ২৬৫ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিয়মান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। টেন্ডার আহ্বানের ছয় বছর পর তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালের জন্য গত বছরের ৩১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি হয়। ভাসমান টার্মিনালের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে দেড়শ কোটি মার্কিন ডলারের প্রকল্প রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজও এগিয়ে চলছে। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের প্রস্তাবে এক হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়নের কথা বলা হয়েছে। পুরোপুরি অর্থায়নে ২০১৪ সাল থেকে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরামর্শকরা কাজ করছে। ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই