ঢাকা, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৫ কার্তিক ১৪২৬

Live

মাছের স্বাস্থ্য সনদ প্রদান

২৩:০৪, ৯ জুলাই ২০১৮ সোমবার

ছবিসূত্র : ৯৯৯ জরুরী সেবা

 

সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

বিদেশে মাছ রপ্তানির জন্য মাছের স্বাস্থ্য সনদের প্রয়োজন হয়। কারণ মাছে কোন ধরনের রোগ আছে কিনা বা জীবাণুর আক্রমণ হয়েছে কিনা অথবা মাছ প্রক্রিয়াজাত করনের সময় কোন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে কিনা সেটা যাচাই করার জন্য পরীক্ষা করতে হয়। পরীক্ষায় কোন ধরনের সমস্যা পাওয়া না গেলে সেই মাছ বিদেশে রপ্তানির জন্য অনুমত পাবে।  সরকারি এই সেবার মাধ্যমে মৎস্য রপ্তানিকারক মাছের  এই স্বাস্থ্য সনদ পাবেন। 

সেবার সুবিধা:

১.  মাছের স্বাস্থ্য সনদ থাকলে রপ্তানি করতে সরকারি অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।

২. স্বাস্থ্য সনদ পাওয়ার মাধ্যমে বৈধভাবে মাছ রপ্তানি করা যায়।

৩. উৎপাদিত মাছ বিদেশে রপ্তানি করে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

৪. মাছের স্বাস্থ্য সনদ থাকলে বিদেশের বাজারে মাছ বিক্রয় করা যায়

প্রক্রিয়া:

বিদেশে মাছ রপ্তানি করার জন্য মাছের স্বাস্থ্য সনদ অবশ্যই প্রয়োজন। স্বাস্থ্য সনদ পাওয়ার জন্য রপ্তানিকারককে রপ্তানি জোনের উপ-পরিচালক (ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা বিভাগ) বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পণ্য ও ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করবেন। তারপর প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে নমুনার অণুজীব এবং রাসায়নিক পরীক্ষা করার জন্য পাঠাবেন। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সনদ প্রদান অথবা বাতিল করা হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদনপত্র, ট্রেসেবিলিটি ডকুমেন্ট

প্রয়োজনীয় খরচ

আবেদন ফি- ৫০০/- এবং স্বাস্থ্য সনদ ও টেস্ট ফি ২,৭০০/- থেকে ১০,০০০/- (সকল ফি এর জন্য ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য) -

 

সেবা প্রাপ্তির সময়

১৯ দিন

কাজ শুরু হবে

উপ-পরিচালকের কার্যালয়, মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ (ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা)

 

আবেদনের সময়

সারা বছর

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা:

উপ-পরিচালক, মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, পরিদর্শক, ল্যাব ইন চার্জ

সেবা না পেলে কার কাছে যাবেন

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা