ঢাকা, মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

Live

ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে: কৃষি মন্ত্রী

মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন

২১:১৬, ৭ নভেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশের কৃষিতে সাধারণত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট এবং বরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। আমরা চাই সারের জন্য আর কোন কৃষক যেন কষ্ট করতে না হয় দেশে পর্যাপ্ত পরিমান সার মজুদ রয়েছে। কৃষক পর্যায় মিশ্র সার ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য আরও বেশি বেশি উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে; এ ব্যাপারে কোন গাফিলতি মেনে নেয়া হবে না। আজ কৃষি মন্ত্রী ড.মো: আব্দুর রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ’সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটি’র ২য় সভা তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষকের কথা মাথায় রেখে এমওপি সারের মূল্য কমানো যেতে পারে,জানালেন কৃষি মন্ত্রী। সভায় বিগত অর্থবছরের চাহিদা বরাদ্দ ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের জন্য সারের চাহিদা তুলে ধরা হয়েছে। ইউরিয়ার চাহিদা ২৬ দশমিক ৫০ লাখ মে:টন, টিএসপি ৭ দশমিক ৫০ লাখ মে:টন,ডিএপি ৯ লাখ মে:টন, এমওপি ৮ দশমিক ৫০ লাখ মে:টন, এমএপি দশমিক ৫০ লাখ মে:টন, এনপিকেএস দশমিক ৭০ লাখ মে:টন, জিপসাম ৪ লাখ মে:টন, জিংক সালফেট ১ দশমিক ৩৩ লাখ মে:টন, অ্যামোনিয়া সালফেট দশমিক ১০ লাখ মে:টন, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দশমিক ৮০লাখ মে:টন ও বোরন দশমিক ৪১লাখ মে:টন সর্বমোট: ৫৯ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন।

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আমদানিকৃত সারের শিপিং টলারের সর্বোচ্চ (+-)১০% বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত আমদানিকৃত সার ভর্তুকির অন্তর্ভুক্ত হবে। দেশের মোট চাহিদার সার বিসিআইসি,বেসরকারিভাবে উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বর্তমান দেশে যে পরিমান সার মজুদ রয়েছে তাতে করে সারের জন্য কোন রকম সমস্যা হবে না। এছাড়া ডিসেম্বর নাগাদ যমুনা সার কারখনা সার উৎপাদনে যাবে।

 https://www.krishikagoj.com/media/PhotoGallery/2018March/nmhhjhg-1911071515.jpg

কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এম.পি, মো:আব্দুল হাই এম.পি, কৃষি সচিব মো: নাসিরুজ্জামান, মো: আবদুল হালিম,শিল্প সচিব,বিএডিসি ও বিসিআইসি’র চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ব্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ । পরে মন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কর্তৃক আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও বই তুলে দেন। কৃষি মন্ত্রী বলেন; কৃতি শিক্ষার্থী হওয়ার পাশাপাশি কৃতি মানুষ হতে হবে। দেশ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে হবে।

সমাজে সব পেশারই গুরুত্ব রয়েছে। গুরুত্ব নির্ভর করে কতটা সততা আন্তরিকতা ও দেশ প্রেমে উজ্জীবিত হয়ে সেবা করছি। অভিবাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন; জাতীয় দিবস গুলোতে সন্তানদের নিয়ে উজ্জাপন করলে সন্তানদের ভিতর দেশ প্রেম বৃদ্ধি পাবে। সন্তানদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরী করতে হবে;প্রকৃত দেশ প্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

কৃষি কাগজ/এস এম