ঢাকা, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৫ কার্তিক ১৪২৬

Live

বন পুনরুদ্ধারে হেরে যাচ্ছে বিশ্ব

১৩:২৯, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শনিবার

গাছ কাঁটা রোধ করার লক্ষ্যে ২০১৪ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে একটি ঐতিহাসিক বৈশ্বিক চুক্তিতে নিউ ইয়র্ক ডিক্লারেশন অন ফরেস্টস (এনওয়াইডিএফ) করেছিলো যার লক্ষ্য হিসেবে ২০২০ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে অর্ধেক বনায়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ বনায়ন করার অঙ্গীকার করা হয়, বর্তমান বৈশ্বিকপ্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটি ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করছে ক্লাইমেট ফোকাস নামের একটি জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা।


এই সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শার্লট স্ট্রেক বৈশ্বিক জলবায়ু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বলেন, ‘যখন এনওয়াইডিএফ পাঁচ বছর আগে এই অঙ্গীকার করা হয়, তখন মরুকরণ দ্রুতগতিতে চলছিলো’।
প্রতিবেদনটি অধিক কার্বন নির্গত হওয়াকে বৈশ্বিক মরুকরণের ফল হিসেবে মনে করছে। যুক্তরাজ্যের একটি এলাকায় যেটুকু গাছ থাকার কথা ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর গড়ে তা একটু একটু করে কমে গেছে।
বিশ্ব সম্পদ ইনস্টিটিউটের খাদ্য, বন, পানি ও সমুদ্র বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রেইগ হ্যানসন এই প্রতিবেদনকে একটি ‘মিশ্র প্রতিক্রিয়া’ বলে উল্লেখ করেন। সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে এখনও মরুকরণ অব্যাহত আছে। সুতরাং আমরা বন পুনরুদ্ধারের যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি’।


‘মরুকরণ প্রতিরোধ এবং বন পুনরুদ্ধার করার জন্য উদাহরণস্বরূপ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী ৩০ শতাংশ মরুকরণ নিরসনের ব্যবস্থা রাখা যেত’, লন্ডনের উদ্ভিদবিজ্ঞান সোসাইটির কারিগরি বন উপদেষ্টা ইসজার ওয়েনরাইট-দেরি তার বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্যে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘শূন্য-মরুকরণের যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিলো তা মুখ থুবড়ে পড়ায় এটা সম্ভব হচ্ছে না’।
তবে বিশ্ব সম্পদ ইনস্টিটিউটের হ্যানসন উপসংহারে বলেন, ‘আমরা মরুকরণের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি তবে আশা ছাড়া যাবে না। এই প্রতিবেদন প্রতিশ্রুতিগুলোকে আরও শক্তি দেবে’।