ঢাকা, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০ | ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

Live

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই বাংলাদেশ উন্নত হয়ে যেত

২১:৪৮, ১১ মার্চ ২০২০ বুধবার

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে অনেক আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে রূপান্তরিত হতো বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা.  দীপু মনি।

আজ বুধবার বিকেলে ফার্মগেট এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একুশে পদক-২০২০ প্রাপ্ত প্রফেসর ড. শামসুল আলম ও ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে মাত্র স্বল্প সময়ে দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। যারা বেশ কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়নও করেন। বঙ্গবন্ধু জানতেন যে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষকের উন্নতি হলেই দেশের উন্নয়ন হবে। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো অনেক আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে রূপান্তরিত হতো।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ তারই সুযোগ্য কন্যা দেশনেত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। তিনি কৃষি উন্নতির পাশাপাশি কৃষি গবেষণার দিকেও মনোযোগ দিচ্ছেন। মনোযোগ দিচ্ছেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, শিল্প ও সংস্কৃতি খাতেও। আশা করছি এভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তার লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাবে।’

এ সময় ডা. দীপু মনি সংবর্ধিত অধ্যাপক ড. শামসুল আলম ও অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে অনুভূতি প্রকাশে অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, ‘এই পুরস্কার পাওয়ায় সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। কথা দিচ্ছি অতীতের মতো দেশ ও সরকারের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে আমৃত্যু কাজ করে যাবো।’

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাকে যে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তা কৃষি ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে। আমার মনে হয় এই পুরস্কার ৩০ হাজার কৃষি গ্র্যাজুয়েটরা ভাগ করে নিয়েছেন। এই পুরস্কার দিয়ে বর্তমান সরকার কৃষি ব্যবস্থা ও কৃষি গবেষণায় গুরুত্ব দিয়েছে। এজন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

সভাপতির বক্তব্যে সাজ্জাদুল হাসান বলেন, ‘এই প্রথম কৃষি অর্থনীতিতে দুইজন একুশে পদক পেয়েছেন। সুতরাং এই অর্জন শুধু উনাদেরই নয়। এ অর্জন আমাদের সকলের। যারা কৃষিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছো তোমাদের জন্য এটা অনুপ্রেরণা।’

আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ বিমান পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এম কামরুজ্জামান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সমতির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শুভংকর সাহা। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।