ঢাকা, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৫ কার্তিক ১৪২৬

Live

পাহাড়ে পাহাড়ে জুম উৎসব

১৮:৪৯, ৯ অক্টোবর ২০১৯ বুধবার

রাঙামাটিতে প্রায় ছয় হাজার হেক্টর পাহাড়ে জুম চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার জুমে ফলনও হয়েছে ভালো। 

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে আগুন দিয়ে জঙ্গল পরিস্কারের মাধ্যম দুর্গম পাহাড়গুলোকে জুম চাষের উপযোগী করা হয়। এরপর এপ্রিলে প্রথম বৃষ্টির পরপরই লাগানো হয় প্রধান ফসল ধান।

 

বান্দরবানের দুর্গম পাঁচ উপজেলা, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও আলীকদমের পাহাড়ী পরিবারের নির্ভরতা জুম চাষের ওপর।
নানা জাতের ধান আর শসা, বেগুন, হলুদের মতো জুমের বাহারি ফসলের মিষ্টি গন্ধে মৌ মৌ এখন তিন পার্বত্য জেলা। একইসঙ্গে লাগানো হয় তিল, তুলা, মারফা, বেগুন, হলুদ, মরিচ, আদার মতো সাথি ফসল। পরবর্তী চার-পাঁচ মাসের বিভিন্ন সময়ে ফসল পাকে।

পাহাড়ী পরিবারগুলো জুমের ধান আর সবজি দিয়েই গোটা বছরের খাদ্যশস্যের চাহিদা মেটায়। ফলে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে এবার অন্যরকম আনন্দ।

কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে জুমচাষে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা হচ্ছে। এবার বান্দরবানে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে জুমচাষ হয়েছে। পাহাড়ী জমি জুম চাষের কারণে উর্বরতা হারায়।

বাতি জ্বালানোর কেরোসিন আর রান্নার লবন ছাড়া খাবার-দাবারের ধান আর শাকসব্জির সব ফসলই উৎপাদিত হয় চাষে। এ কারণে ফসল ওঠার এই সময়ে পাহাড়িরা মেতে উঠে অন্যরকম উৎসবে।