ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭

Live

দক্ষিণের উৎপাদনকারীদের জন্য প্রণোদনা বাড়িয়েছে ভারত

১৭:০১, ৩ মে ২০২০ রোববার

নভেল করোনাভাইরাসের মহামারী ঠেকাতে ভারতে টানা লকডাউন চলছে। এতে সংকটে পড়েছে দেশটির চা শিল্প। শ্রমিক সংকটে বাগান থেকে চা পাতা তোলা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম। সব মিলিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে রয়েছে ভারতের চা খাতসংশ্লিষ্টরা। এ পরিস্থিতিতে তামিলনাড়ু, কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের চা শিল্পের জন্য বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দিচ্ছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। কয়েক ধাপে এ প্রণোদনার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। খবর বিজনেস লাইন ও ইকোনমিক টাইমস।

টি বোর্ড অব ইন্ডিয়ার মহাপরিচালক এম বালাজি জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য শুরু থেকেই চা শিল্পে প্রণোদনা দিয়ে আসছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বিশেষ প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ ভারতের স্টেকহোল্ডারদের জন্য আরো ৪ কোটি ৮৯ লাখ রুপি (ভারতীয় মুদ্রা) বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রণোদনার এ অর্থ স্থানীয় ১৫৯ স্টেকহোল্ডারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

তিনি আরো জানান, এর আগে দক্ষিণ ভারতের চা শিল্পসংশ্লিষ্ট ৩২ ক্ষুদ্র উৎপাদনকারীর কাছে ৯ লাখ ২৭ হাজার রুপি বিতরণ করেছে টি বোর্ড অব ইন্ডিয়া। কেরালার ৪৮ ক্ষুদ্র বাগানীর সহায়তায় আরো ৪৯ লাখ ৮৫ হাজার রুপি বিতরণের উদ্যোগ এখনো চলমান রয়েছে।

শুধু ক্ষুদ্র উৎপাদনকারী নয়, করোনা সংকটে বড় টি এস্টেটগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্থাটি। এম বালাজি জানান, সরকারি প্রণোদনা প্রকল্প থেকে দক্ষিণ ভারতের আটটি টি এস্টেটকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কেনার জন্য ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার রুপি দেয়া হয়েছে। এসব টি এস্টেটের ৪৭টি ওয়ার্ডের শ্রমিকদের কল্যাণে আরো ৪ লাখ ৯৩ হাজার রুপি বিতরণ করা হয়েছে। হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট স্কিমের আওতায় চা শ্রমিকদের কল্যাণে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

দক্ষিণ ভারতের ২৪টি চা উৎপাদনকারী কারখানাকে প্রণোদনা তহবিল থেকে ৩ কোটি ২৫ লাখ রুপি সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান এম বালাজি। তিনি বলেন, সহায়তার এ অর্থ ব্যয় করে এসব কারখানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে অর্থোডক্স চায়ের চাহিদা পূরণে সচেষ্ট থাকবে।

এম বালাজি বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরুর পর থেকে উৎপাদন কার্যক্রম ও ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়ায় দক্ষিণ ভারতের চা শিল্পসংশ্লিষ্ট ২ হাজার ৮৭৭ স্টেকহোল্ডারকে সব মিলিয়ে ১২ কোটি ৮০ লাখ রুপি অর্থ সহায়তা দিয়েছে টি বোর্ড অব

ইন্ডিয়া। আগামীতেও এ সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হবে।