ঢাকা, রোববার ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

Live

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে কুইনো থাকুক খাদ্যাভ্যাসে

১৫:১১, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রোববার

আমাদের দেশে কুইনো ‘কাউন চাল’ নামেই বেশি পরিচিত।

শস্যজাত এই উপাদানটি বাইরের দেশগুলোতে দারুণ পরিচিত ও প্রচলিত। দানাদার কুইনো সাধারণত লাল ও সাদা এই দুইটি রঙে পাওয়া যায়। তবে কালচে বর্ণের কুইনোও হয় যা সচরাচর পাওয়া যায় না। সাধারণ ভাত রান্নার মতো করেই রেঁধে নেওয়া যায় কুইনো।

কুইনো থেকে কী কী স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে?

সাধারণ সাদা চালের চাইতে কুইনো ব্যতিক্রম ও স্বাস্থ্যকর কারণ, কুইনো থেকে পাওয়া যাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ, যা সাধারণ চালের প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ। শুধু আঁশ নয়, কুইনোতে আরও আছে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে কাজ করে।

এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ফসফরাস, কপার, জিংক, ভিটামিন-ই, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ উপাদানের উপস্থিতিও রয়েছে স্বাস্থ্যকর এই দানাদার খাদ্য উপাদানে। পাশাপাশি প্রোটিনের অন্যতম উপকারী উৎস কুইনোতে আছে অ্যামিনো অ্যাসিড। যা নিরামিষাশীদের জন্য ভীষণ প্রয়োজনীয় পুষ্টি।

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য কেন কুইনো?

অগণিত স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকার জন্যেই বিশেষজ্ঞদের মতে ডায়বেটিস আক্রান্ত রোগীদের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য খাদ্যাভ্যাসে কুইনো রাখা প্রয়োজন।

খেয়াল করে দেখুন ফিচারের শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে যে কুইনো থেকে পাওয়া যাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ। এই আঁশ খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করার পাশাপাশি দীর্ঘসময় পর্যন্ত ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়া থেকে প্রতিহত করে। এছাড়া খাদ্য উপাদান থেকে শোষণকৃত চিনিকে রক্তে মেশার প্রক্রিয়াকে স্লথ করার ক্ষেত্রেও অবদান রাখে এই আঁশ। ফলে আচমকা রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায় না।

কার্বোহাইড্রেট খাবারের মাঝে একেবারেই কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সমৃদ্ধ কুইনো ডায়বেটিস রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য উপকারিতার সাথে প্রতিরোধ করে ডায়বেটিসের বেড়ে যাওয়াও।