ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ | ৭ কার্তিক ১৪২৭

Live

করোনার আঘাতে সংকুচিত হবে বিশ্ববাণিজ্য

১২:০১, ১ মার্চ ২০২০ রোববার

নানা পূর্বাভাস বলছে, করোনাভাইরাসের আঘাতে বিশ্ব অর্থনীতি সংকুচিত হবে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ চীনে বছরের শুরুতে কমপক্ষে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির স্বপ্ন দেখা হলেও প্রথম তিন মাসে তাদের প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মর্গান স্টেনলি বলছে, চীনের বিভিন্ন শহরে চলাচল বা পরিবহনে নিষেধাজ্ঞার কারণে সার্বিকভাবে চীনের উৎপাদনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। কিছু কিছু এলাকায় কল-কারখানা চালু হলেও সার্বিক উৎপাদন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশেও পৌঁছতে পারছে না।

এভিয়েশন কনসাল্টিং ফার্ম ‘কিরিয়াম’-এর তথ্যমতে, চীনে চলাচলকারী প্রায় ২ লাখ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে করোনাভাইরাসের কারণে। এ সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও করছে প্রতিষ্ঠানটি যদি করোনাভাইরাস আরও ছড়িয়ে পড়ে। শুধু এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বাজেট এয়ারলাইনসে লেনদেন ২৯ বিলিয়ন ডলার কমার সম্ভাবনা দেখছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন। বিশ্বের প্রায় সব শেয়ারবাজারে দ্রুত কমছে বিমানভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। বাংদেশেও পর্যটন ও এভিয়েশন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনাভাইরাস আতঙ্কে বাংলাদেশিরা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে পূর্বনির্ধারিত টিকিট বাতিল করছে বলে জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সভাপতি মনছুর আহমদ কালাম। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এত প্রভাব পড়বে তা আমাদের হিসাবের বাইরে ছিল। টিকিটের ৮০ শতাংশই বাতিল হচ্ছে, যাত্রীরা রিফান্ড (টাকা ফেরত) নিচ্ছেন। শুধু চীনা ফ্লাইটেই খারাপ অবস্থা নয়, অন্যান্য দেশেও এই প্রভাব পড়ছে।’

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) তথ্য মতে, রপ্তানি আয়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪২তম দেশ। আর তৈরি পোশাকই বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের এখনো মূল শক্তি, বৈশ্বিক বাজারে যার অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে।